Sourcing
একটি উদাহরণ দিয়েই শুরু করি , আমার জানামতে অ্যামাজনে 5 মিলিয়ন সেলার এবং 500 মিলিয়ন পণ্য আছে। এখানকার 85 ভাগেরও বেশি ট্রেডার/রিসেলার/মানে মেনুফেকচার বা উৎপাদনকারি প্রতিষ্ঠান নয় । বেশিভাগ আমদানিকারক বিটুবি সাইট গুলো থেকে পণ্য সোর্সিং করে থাকে । সরাসরি ম্যানুফ্যাকচারার বা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হতে পণ্য ক্রয় না করলে ব্যাসায় লাভবান হওয়া খুব মুশকিল । দীর্ঘদিন এ ব্যবসায় জড়িত থাকার ফলে অনেকে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বা মেনুফেকচারারের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে উঠে । ইউটিউব এর ভিডিওগুলো দেখলে এ ব্যাপারে আরও ভাল করে বুঝতে পারবেন যে আমরা বিভিন্ন সময় কোম্পানি / ফ্যাক্টরি ভিজিট করি এবং ম্যানুফ্যাকচারারের সাথে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ হয় তাদের সাথে আমাদের ভালো রকমের ব্যবসা হয় / তারা আমাদের থেকে অনেক রকম সার্ভিস নিয়ে থাকে , এই ভিডিও গুলো প্রতিনিয়ত পেজ / গ্রুপ / ইউটিউবে আপলোড করা হয়।
পণ্য নির্বাচন একটা অনেক বড় ব্যাপার , যার উপরে সবকিছু নির্ভর করে । এটা ভালো না হলে অন্য কাজগুলো যতই ভালো হোক, কেন কাজে আসবে না । তাই সঠিক পণ্য খুঁজে বের করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ । প্রথম কাজ হলো প্রোডাক্ট রিসার্চ করা , এই ব্যাপারে অনেকগুলো কথা বলা যায় । আমার ব্যক্তিগত একটি পরামর্শ ধরনের কেউ 20 বছর ধরে একটা পন্য নিয়ে ব্যবসা করতেছে আপনি কি এখন ব্যবসা শুরু করার পরে তাকে ধরতে পারবেন / তার সাথে টিকতে পারবেন । সে জন্য আমার ব্যক্তিগত তিনটা দিক বলবো বা আমার পরামর্শ ঃ
১. সেলার কম
২. সহজে ব্যক্তিগতকরণ
৩. যে অল্প কিছু সেলার আছে এবং তাদের রিভিউ বেশি হওয়া যাবে না ।
না বুঝতে পারলে এই পয়েন্ট তিনটি নিয়ে পরে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। সর্বশেষে পণ্যের মান এবং টেকসই নিশ্চিতকরুন , ব্যবসায়ীক অঞ্চল বিশ্লেষণ করুন , সম্ভাব্য ক্রেতার প্রোফাইল অবস্থান বিশ্লেষণ করুন , বাজারের সম্ভাব্য ত্রুটিগুলো বিচার করুন এবং মার্কেটিংয়ের কৌশলটা সম্পর্কে ভাবুন তবেই আমদানি / রপ্তানি ব্যবসা লাভবান হওয়া সম্ভব।
সফল উদ্যোক্তা হওয়ার সংক্ষিপ্ত কোনো পথ নেই । সততার সাথে শ্রম দেওয়ার পরেও সফল হতে পারছেন না , এজন্য আমরা আপনাকে সঠিক দিকনির্দেশনা দিয়ে সফল উদ্যোক্তা হতে সকল সূত্রগুলোর সমন্বয় ঘটাবো । সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সফলতা আসবেই ইনশাল্লাহ
.png)