Payment

পেমেন্ট  ঃ আমদানি / রফতানির ক্ষেত্রে এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ । কারণ, আমদানি বা রপ্তানির ক্ষেত্রে ক্রেতা-বিক্রেতা অনেক দূর হতে ব্যবসা করে তাই বিশ্বাসের একটা কমতি থাকে । পেমেন্টের এর জ্ন্য প্রচলিত অনেক উপায় আছে এর মধ্যে যেই উপায় আমরা বেশি ব্যাবহার করে থাকি বা যে ভাবে আমরা সাহায্য করব তা বলা হল । 

·        LC & TT
·        Document collection/credit
·        Cash in Advance / Direct collection
·        Dual Currency

আমদানি-রপ্তানি এই দুই পদ্ধতির পেমেন্ট প্রক্রিযা প্রায় এক , আপনি একটি বুঝলে অন্যটিও সহজে বুঝতে পারবেন । পেমেন্টের অনেকগুলো উপায় আছে তার মধ্যে বেশি ব্যবহৃত বা আমরা যেই মাধ্যমে বেশি প্রেমেন্ট করে থাকি তার সম্পর্কে একটু ধারনা দেয়ার চেষ্টা করব । এলসি / টিটি ব্যাংকের মাধ্যমে পেমেন্ট করা হয়, নিরাপদ এবং খুবই বিশ্বস্ত মাধ্যম। যারা অনেক বেশি পরিমাণে মাল করেন বা বড় পেমেন্ট করেন তাদের ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি অবলম্বন করা উত্তম। দুটো প্রক্রিয়ায়ই প্রায় একই , যেকোন  আমদানিকারক এই পদ্ধতিতে ব্যাংকের মাধ্যমে ডলার বা আমদানিকারী দেশের মুদ্রায় পেমেন্ট করতে পারেন।  যদি কোনো আমদানিকারকের আইআরসি লাইসেন্স না থাকে তাহলে আমাদের ডকুমেন্ট দিয়ে তার সেলার কে মানে ফ্যাক্টরি বা কোম্পানিকে পেমেন্ট করতে সাহায্য করতে পারব।  আবার যখন কেউ কোন মাল রপ্তানি করবে তখন যদি তার কোনো ডকুমেন্ট না থাকে তাহলে আমাদের ইআরসি এর মাধ্যমে রপ্তানিকারকের পেমেন্ট রিসিভ করতে পারব। 

এছাড়াও ছোট ছোট আমদানিকারকরা ডুয়েল কারেন্সি কার্ডের মাধ্যমে পেমেন্ট করতে পারেন। যা তুলনামূলক সহজ কিন্তু বড় পেমেন্ট এর ক্ষেত্রে তা লাভজনক নয়।  বেশি পেমেন্ট করলে ব্যাংক অতিরিক্ত ফি যুক্ত করবে এবং নির্দিষ্ট লিমিট এর বেশি টাকা পাঠানো যায় না।  তাই যদি কারো লিমিট শেষ হয়ে যায় সে ক্ষেত্রে আমাদের কার্ডের মাধ্যমে পেমেন্ট করে আমদানিকারকে সাহায্য করতে পারব।  

এছাড়াও আরো অনেকগুলো মাধ্যম আছে যেমন ফ্যাক্টরী তে গিয়ে ঘুরে দেখে পেমেন্ট দেওয়া ( cash in advance ) বা  ডাইরেক কালেকশন মানে মাল যখন চায়না অফিস রিসিভ করবে তখন পণ্যের মূল্য পরিশোধ করা যা ক্যাশ অন ডেলিভারি বলা হয় । 


দায়বদ্ধতা : আরো অনেক উপায় থাকলেও আমরা সংক্ষেপে কিছু কথা বলেছি বিস্তারিত গুগলে পাবেন । আমরা যে অংশটুকু নিয়ে কাজ করব অবশ্যই তার দায় বদ্ধতা আমাদেরকেই নিতে । হবে তাই আমাদেরকে টাকা দেওয়ার পরে একটি নির্দিষ্ট সময় নিব এরপরে উপযুক্ত প্রমাণ বা ছবি আপনাকে আমরা দিব । কিন্তু টাকা দেওয়ার পরে সেলার আপনাকে রিপ্লাই করল না বা মালটা না দিলে বা খারাপ মাল দিলে এর দায় বদ্ধতা আমরা নিব না।  আপনি যাকে যেই একাউন্টে দিতে বলেবেন আমরা দিয়ে দিব কিন্তু, সে ( সেলার / বিক্রেতা ) ভালো না মন্দ সেটা যায় যাচাই এর দায়িত্ব আপনার । যদি আপনার তার উপর সন্দেহ থাকে তাহলে ক্যাশ ইন রিসিভ মানে কন্ডিশনে দিতে বলবেন । আমাদের লোক টাকা দিয়ে মাল রিসিভ করবে কিন্তু সে ক্ষেত্রে বক্সখুলে মাল চেক করে দেখবে না । একজনের মাল অন্য একজন দিয়ে চেক করে নেওয়াটা খুবই ঝামেলার । আমার মনে হবে যারা ব্যাবসায়ী মনোভাবের তারা কখনোই এরকম করবে না ( সেলার এমন করবে না ) বা  তারপরও দায়িত্বে থেকে বললাম।  

Powered by Blogger.