PACKING
একটু বড় হলেও খুব ধৈর্য্য সহকারে পড়ে বোঝার জন্য অনুরোধ করা হলো আমি যথাসম্ভব চেষ্টা করছি অল্প করে বিস্তারিত বলার। এর পরেও কারো বুজতে সম্যসা হলে, যা বুজেন নাই আমাদের কে বলবেন।
মালামাল পাঠানোর নিয়মাবলি ও শর্তসমূহঃ
১। বক্সের উপর অবশ্যই শিপিং মার্ক এবং মালের ডিটেইলস লিখে দিতে হবে। যথাযথভাবে শিপিং মার্ক না লিখলে, প্রোডাক্ট হারানো গেলে, Ms shipping কোন দায় দায়িত্ব বহন করবে না।
আপনি যদি আমাদের কোম্পানির নাম না লেখে দেন তাহলে বিমানবন্দরে যখন আমরা মালটা রিসিভ করব তখন কেন আমাদের কি দিবে বলুন ? কারন আমাদের কোম্পানির নাম নাই ! তাই কম্পানির নাম না থাকলে বিভিন্ন রকম ঝামেলার সৃষ্টি হয় ।
২। বক্স সবুজ পলি দিয়ে র্যাপিং করে দিতে হবে।
একটা বক্স যখন অনেক বার উঠানামা করতে হয় সবুজ ব্যাগ না থাকলে ফেটে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে। যদি ফেটে / ছিড়ে যায় তাহলে নানান রকম ঝামেলা পোহাতে হয়। অনেকটা বাজার থেকে ফিরে আসার সময় ব্যাগ ফেটে বা ছিড়ে পড়ে যাওয়ার মত। তাই আপনি যদি সবুজ ব্যাক করে না দেন এয়ারলাইন্স যদি মনে করে ব্যাগ করতে হবে করে দিবে এবং এর জন্য অতিরিক্ত ফি যুক্ত হবে । কারণ যাত্রা পথে কোনো সমস্যা হবে এমনটা তারা চাইবে না ।
৩। মাল পাঠানর সময় অবশ্যই বক্স এর উপর প্যাকিং লিস্ট / প্রোফরমা ইনভয়েস দিতে হবে এবং মালের ওজন যথাযথ ভাবে ডিক্লারেশন দিতে হবে। বুঝার সুবিধার জন্যে নিচে কিছু ছবি দিয়ে দেওয়া হল এরপরেও বুজতে সমস্যা হলে বা প্রশ্ন থাকলে ইনবক্স করবেন প্লিজ

আর বক্সের ভিতরে ব্যাটারি/ লিকুইড / ক্যামিকেল জাতীয় মালামাল থাকলে অবশ্যই Bʏ ᴀɪʀ ( HK ) লিখতে হবে। কারণ এই ধরনের মালামালগুলো সরাসরি বাংলাদেশে আসে না প্রথমে হংকংয়ে যায় তারপরে বাংলাদেশে আসে। ( 𝐇𝐊 ) না থাকলে আমরা গুয়াংজু শিপমেন্ট এ পাঠিয়ে দেই, তখন এয়ারলাইন্স চেক করার সময় ভুল পাইলে জরিমানা করে এবং সেই মালটা আবার ফেরত পাঠায় এবং এই মাল আনতে যাওয়া এবং জরিমানার খরচ যুক্ত হয় । যা কখনো সামান্য টাকা হয় না। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই কাস্টমাররা এই ভুলটা করে থাকে। পরে আমাদেরকে ভুল বুঝে তাই প্রতিবার মাল করার আগে দরকার হলে শিপিং মার্ক টা নিশ্চিত হয়ে নিবেন। বুঝার সুবিধার জন্যে নিচে কিছু ছবি দিয়ে দেওয়া হল এরপরেও বুজতে সমস্যা হলে বা প্রশ্ন থাকলে ইনবক্স করবেন প্লিজ
৪। একই বক্সে বিভিন্ন ধরনের মাল অর্থাৎ মিক্সড মাল পাঠান যাবে না। করলে তা আগেই যানাইতে হবে ও বক্সে এ সব মালের বিস্তারিত লিখতে হবে । ছবি ৪ এর মতন করে ।
৫। ২০ কেজির নিচে কোন বক্স পাঠানো যাবে না। পাঠাইলে অবশ্যই রিপ্যাকিং চার্জ দিতে হবে ।
৬। মালের ওজন যদি ফ্র্যাকশনাল বা ভগ্নাংশ হয় তাহলে তা পূর্ণ সংখ্যায় উন্নীত করা হবে। যেমনঃ কোন পার্সেলের ওজন যদি ১০.৮ কেজি হয় তাহলে সেটাকে ১১ কেজি ধরা হবে।
৭। শিপমেন্ট ঢাকা ওয়ারহাউজে আসার ১০ দিনের মধ্যে অবশ্যই মাল রিসিভ করতে হবে। ১০ দিন অতিবাহিত হলে 𝙼𝚜 𝚜𝚑𝚒𝚙𝚙𝚒𝚗𝚐 ঐ মালের কোন দায় দায়িত্ব বহন করবে না।
৮। মালের ভুল ডিক্লারেশন দিলে অথবা অবৈধ মাল দিলে ঐ ক্লায়েন্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে ( চেক পযেন্ট নং ৩ ) ।
৯। মাল হারালে 𝙼𝚜 𝚜𝚑𝚒𝚙𝚙𝚒𝚗𝚐 সমস্থ দায় দায়িত্ব বহন করবে এবং ওই মালের প্রফোরমা ইনভয়ের অনুসারে ১০০% মূল্য ফেরত দিবে । তবে ক্লায়েন্ট যদি প্রোফরমা ইনভয়েস না দেয় , সেক্ষেত্রে মালের বাজার মূল্য যাচাই করে রিফান্ড প্রদান করা হবে এবং 𝙼𝚜 𝚜𝚑𝚒𝚙𝚙𝚒𝚗𝚐 এর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে । কিন্তু পণ্য ভেঙে গেলে এর জন্য আমরা কোন দায়ভার বহন করব না । অনেক সময়ে চায়নাতে মানে ওইখানে কুরিয়ার সার্ভিস ভেঙ্গে ফেলে । এর জন্য আপনার যেভাবে বক্স করে দেওয়া দরকার কাঠের বা লোহার বক্স করে তুলা দিয়ে , যেভাবে দেওয়া দরকার পণ্য বুঝে সেভাবে দেওয়ার চেষ্টা করবেন । অন্যথায় ভেঙে গেলে এর জন্য আমরা কোন দায়ভার বহন করব না।
১০। শিপিং খরচ এর পেমেন্ট বাংলাদেশি টাকায় প্রদান করা বাঞ্চনীয়। তবে চাইনুজ ইউয়ানে (RMB) তে কেউ যদি পেমেন্ট করতে চায় সেক্ষেত্রে ঐদিনের ব্যাংক কারেন্সি রেট ধরতে হবে।
১১। কাস্টম ইন্সপেকশন এর জন্য 1/2 পিস মাল রাখে দিলে এটার জন্য কোন রিফান্ড হবে না । অনেক সময় কাস্টম অফিসার ২/১ পিস জিনিস রেখে দিতে পারে কারণ কাস্টমস নিয়ম অনুযায়ী কাস্টম অফিসার কোন মালের ভ্যালু বেশি মনে করলে তা যাচাই-বাছাই করতেই পারেন। অনেকটা ফল কিনার আগে টেস্ট করার মত ।
আমদানি ও রপ্তানি উভয় ক্ষেত্রেই প্যাকিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যেকোনো পণ্য আপনি যখন বাজারে কিনতে যাবেন অবশ্যই প্যাকিং এর লেখাগুলো বিস্তারিত পড়ে বোঝার চেষ্টা করবেন এবং যদি অনেকগুলো নেন অবশ্যই দু এক পিস পরীক্ষা করে মানে খুলে দেখতেই পারেন। ঠিক তেমনি যখন কোন মাল আমদানি করা হয় আমদানিকারক গণের , যাকে দিয়ে আমদানি করবেন তার মতন করে প্যাকিং করবেন। যখন রপ্তানি করবেন ক্রেতার চাহিদা অনুযায়ী এবং সে দেশের নিয়ম মেনে প্যাকিং করতে হবে। তা না হলে জরিমানার সম্মুখীন হতে হয় একটু বিস্তারিতভাবে পড়ার চেষ্টা করবেন অনেক কাস্টমারের সাথে এটা নিয়ে ভুল বুঝাবুঝির সৃষ্টি হয়।





